নিরুদ্দেশের পথিক
শীত পিঠে মেখে দাঁড়িয়ে আছে রোদ্দুর সেই কবে থেকে। তুমি একটু আপন করে ডেকে নিলে পুটুশফুলের ঝোপেরা হেসে ওঠে। জলসিঞ্চন হয় সেই কবে থেকে শুখা হয়ে যাওয়া মাঠের চোখমুখ। এখনও আকাশ দেখেনি বলে গুমরে ওঠা মেয়ে তোমার ইশারার ছোঁয়ায় মেঘমেদুর। আর কতকাল জলের আড়ালে থাকবে?
বুধবার, ১৮ জুলাই, ২০১৮
সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৬
সবুজ
পাহাড়ের পাকদন্ডী বেয়ে জল সইতে যায় যে পুরনারীরা, তাদের মঙ্গলশঙ্খে বেজে ওঠে
আশ্বিনের ভোর। কবে কোন গ্রীষ্মসন্ধ্যায় অথবা হিমেলরাতে উলুধ্বনি হয়েছিল ঠিক মনে
পড়ে না, তবে পঞ্জিকার পাতায় কাশফুল ফুটলেই স্মৃতিতে ভিড় করে আসে খোলা মাঠ, উদোম
হাওয়া আর খোড়ো চালা। একচিলতে উঠোনে কবেকার এক্কাদোক্কা খেলার সঙ্গীসাথীরা। শাশুড়ির
গঞ্জনা সইতে হয়না ঠিকই, কিন্তু ঘরেতে চাল বাড়ন্ত হলে সদানন্দ তাঁর জীর্ণ ও পুরাতন
বাঘছালে প্রযত্ন হন।
সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
নি:সঙ্গ মান্দাস
।১।
আমার বড়ো বয়সে একটাও দোয়েল পাখি দেখিনি কোনদিন। কী মজা হতো যদি রেলগাড়ি চলে যেত অপার সবুজে। তাহলে হাফপ্যান্ট পরা বয়স মাঠে মাঠে দৌড়ে একাকার। কোথায় চলে গেছে অনন্ত কথা বলা মানুষেরা, শীতলেপে মুড়ি দেওয়া ঠাকুমার ঝুলি। মাঠের আল বেয়ে সীমানাহীন পথে এগিয়ে যাওয়ায় মনকেমন করে ওঠে ঘুমভাঙা সকালে রোজ। অতীতজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে এইসব আদুরে যাপন।
।২।
সাদা দাড়ি বুড়ো মাঝিকে আমি নদী পার করে দিতে বললাম। সে বগলদাবায় নৌকো নিয়ে চলে গেলো। ঘাসের সবুজ গন্ধঅলা একলাপথে এ আমি কার অপেক্ষায়?
বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
একলা নাবিকের ডিঙি
।১।
এইতো গতকাল বেলাভূমি ছেড়েছি। জেটির গায়ে লেগে আছে নির্ঘুম জীবনযাপন। আমার না-কথা বলা রাত্রি, দুটোমাত্র ঝিনুক আর অসংখ্য হাওয়ার ঢেউ মিলেমিশে গিয়েছিল। ঝাউগাছের পাতা বেজে উঠেছিল খিলখিল শব্দে। বালিয়াড়ি ধরে পায়ের ছাপ হেঁটে গিয়েছিল বহুদূর। সমস্ত তীর জুড়ে তখন উন্মাদ গোধুলী। নাবিক হয়েও কোন বন্দরে আমার বউ নেই কোনদিন।
।২।
মাঝসমুদ্রের গাঢ় নীল মিশে গেছে কালো রঙে। সীগালের ডানায় ভর করে নেমে আসছে নিঝুম সন্ধ্যা। তারপর ফুটকি ফুটকি বিন্দু। ওপরের ডেকে চিত হয়ে শুয়ে আছি একা। এখন তুমি সঙ্গে থেকো। চেপে ধরে রেখো আমার হাতটা। আর তোমার ভেজা চুলের জলের ফোঁটা আমার মুখজুড়ে থাকুক। আমি তৃষ্ণার্ত হয়ে কি চেয়েছিলাম কিছু?
সময় অনন্ত নয়
- ১ -
“If I
knew that today would be the last time I’d see you, I would hug you tight and
pray the Lord be the keeper of your soul”. - Gabriel García Márquez.
যখন সময় ফুরিয়ে
যাবে
রোদ্দুর যেন ছুঁয়ে থাকে তোমায়।
রোদ্দুর যেন ছুঁয়ে থাকে তোমায়।
বাবুল মোরা, নইহার ছুটো হি যায়ে ..................
১৮৫৪-র ১৩ই মার্চ, ফাল্গুনের সকাল। গোমতী নদীর জল থেকে উঠে
আসছে হালকা কুয়াশার দল। এখনো ঘুমঘোরে জড়িয়ে শহরের চোখ। কাইজারবাগের প্রাসাদের প্রাঙ্গনের
গাছগুলো ফুলে ফুলে রঙিন। প্রাসাদের ছাদে একলা
পায়চারী করছেন ওয়াজেদ আলি শাহ।
আজ বাতাসে গোলাপের খুশবু নেই। নেই ঠুম্রীর বোল। হায়, ঠুম্রীকে জান দিলাম, মানে
তুললাম খোদ এই লক্ষ্ণৌ-এর
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)


